Saturday, February 20, 2016

ভালোবাসার গল্প-- বুয়েট ও একটি ব্রেকআপ



 সরি রেহান আমি পারছি না
– বাট হোয়াই সামিয়া
– দেখ আমার অনেক ড্রিম ছিল বাট
ইয়ু
– কি আমি কি?
– বাট তোমার জন্য আমার সব ড্রিম
ভেঙ্গে গেছে
– আমার কি দোষ বল সামিয়া
– রেহান তুমি বুয়েটে চান্স পাও নি ।
আমার অনেক ড্রিম ছিল বাবাকে বলব আমার
বি এফ বুয়েটে পড়ে সামিয়ার কথা শুনে রেহান
মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল ।
সামিয়া আক্ষেপের স্বরে বলতে থাকল,
– রেহান এখন আমি আমার বাবাকে কি বলব?
টেল মি রেহান।
– বুয়েট কি সব কিছু?
– রেহান তুমি বুঝতে পারছ না । আমার
বড় আপুর হাজব্যান্ড
আমেরিকা থেকে পি এইচ ডি নিয়ে এসেছে ।
মেঝ আপুর হাজব্যান্ড ঢাকা ইউনিভার্সিটির
টিচার । আর ছোট আপুর বয় ফ্রেন্ড
মেডিকেল ফাইনাল
ইয়ারে পড়ছে…
সামিয়ার কথা শুনে রেহান ঠাণ্ডা গলায় বলল,
– তো আমাকে তুমি কি করতে বল ।
যেহেতু আমি বুয়েটে চান্স পাই।নি । তুমি
কি চাচ্ছ না রিলেশনটা কনটিনিউ করতে?
সামিয়া কান্না জড়ানো গলায়
বলল,
– রেহান তুমি আমাকে ভুল বুঝ না ।
আমি আমার আব্বুকে কি বলব? আমার আব্বুর
মাথা খাট হয়ে যাবে । আব্বু তোমাকে মেনে
নেবে না ।
– আমি বুয়েটে চান্স পাই নি দেখে তোমার
আব্বু আমাকে মেনে নেবে না?
সামিয়া রেহানের প্রশ্নের কোন
উত্তর দিল না । অন্য দিকে তাকিয়ে রইল
। সামিয়ার চোখ জলে টলমল করতে লাগল
। রেহান ছোট একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে
বলল,
– থাক সামিয়া । আমাদের রিলেশান টা
এখানে থেকে যাক । আমি যেহেতু বুয়েটে
চান্স পাই নি । সো আমিও চাই না তোমার
বাবা আমার জন্য ছোট হোক । কারন
তোমার বাবা তো আমার বাবার মতনই…
ভালো থেকো ।
রেহান মাথা নিচু করে হাঁটতে শুরু
করল । পেছন থেকে সামিয়া ডেকে বলল,
– রেহান প্লীজ নিজের খেয়াল
রেখ ।
রেহান সামিয়ার কথার কোন
সাড়া দিল না । হাটতে থাকল ।
সামিয়া জোর গলায় বলল,
– রেহান আমার চেয়ে ব্যাটার
মেয়ে তুমি তোমার লাইফে পাবা । ডোন্ট
গেট আপসেট রেহান । আই ইউল প্রে ফর
ইয়ু…
রেহান কোন উত্তর দিল না । এক সময়
রেহান দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেল । এবং
তার একটু পর রেহানের ফোন আসল সামিয়ার
ফোনে,
– সরি সামিয়া
– সরি কেন?
– আমি তোমাকে মিথ্যা বলেছি
– মানে?
– আমি আসলে বুয়েটে চান্স
পেয়েছি । টপ টেনের ভেতর আমার
পজিশন আসছে… ছোট এই মিথ্যাটা বলার
জন্য সরি । ভালো থেকো । আমার চেয়ে
ব্যাটার ছেলেই
তুমি পাবা । আই ইউল প্রে ফর ইয়ু…
রেহান লাইন কেটে দিল ।
সামিয়া সাথে সাথে রেহানের
ফোনে কল দিল । কিন্তু রেহানের
নাম্বারটা বন্ধ পাওয়া গেল 

No comments:

Post a Comment